দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের মামলা পরিচালনায় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।
একই সঙ্গে তারা দুদককে সত্যিকারের 'সাংবিধানিক' প্রতিষ্ঠান করে গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাজধানীর দুদক কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির খসড়া পরিকল্পনা নিয়ে নাগরিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময়ে এসব বিষয় উঠে এসেছে।
দুর্নীতি দমন না হলে শুধু অর্থনৈতিক বিপর্যয় নয়, জঙ্গিবাদও মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাকদ বদিউল আলম মজুমদার, মানবাধিকার কর্মী রাশেদা কে চৌধুরী, মিজানুর রহমান শেলী।
বক্তারা বলেন, এজন্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি লোক সংস্কৃতির মাধ্যমে দুর্নীতি বিরোধী প্রচারণা চালাতে হবে।
দুদককে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান করার পরামর্শও দেন তারা।
বক্তারা বলেন, দুদকের আলাদা সচিবালয় থাকার পাশাপাশি আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এর কাজের সমন্বয় রাখা উচিত— আর প্রতিষ্ঠানটির জন্য আলাদা ক্যাডার তৈরির প্রস্তাবও দেন।
দুদকের কর্মকর্তাদের আইনানুযায়ী কাজ করার নির্দেশ দিয়ে জবাবদিহিতা বাড়ানো হচ্ছে বলে জানান দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
'খসড়া কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা ২০১৬-২০২১' নিয়ে সুশীল সমাজের প্রনিনিধিদের সঙ্গে মঙ্গলবার মতবিনিময় করেন দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকের কর্মকর্তারা।