আইনের দুর্বলতা কাটিয়ে মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করতে বেশ কিছু সুপারিশ আইন মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে—উল্লেখ করে কমিশনের সদ্য দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যেকোনো মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা তদন্তের এখতিয়ার রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি সরকারের কাছে মানবাধিকার আইন সংশোধনের সুপারিও করা হয়েছে বলে জানান সদ্য দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত এ চেয়ারম্যান।
দ্রুতই জাতীয় মানবাধীকার কমিশন একটি কার্যকর কমিশনে পরিণত হবে, এমন আশাবাদ প্রকাশ করেন রিয়াজুল হক।
মানবাধিকার কমিশনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে সচেতনভাবে কাজ করবেন বলেও জানান কমিশন চেয়ারম্যান। প্রয়োজনে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সাধারণ মানুষের মানবাধিকার বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নিজস্ব জরিপে উঠে এসেছে, দেশে প্রায় ৭০% মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা ঘটে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারা। অথচ এসব ঘটনা সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে কমিশনকে তদন্ত করতে হয়। আইনি জটিলতার কারণে এসবের প্রতিকার করা পুরোপুরি সম্ভব হয় না বলে একাধিকবার দাবি করেছেন, সাবেক জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান।