প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তদন্ত ও অনুসন্ধানী দক্ষতা বাড়ানো—আইনের যথাযথ প্রয়োগসহ ৮ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাঠে নামবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়াও স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ মৌলিক কাজে ঘুষ বা কোনো রকম অবৈধ লেনদেন না করার জন্য মানুষকে উদ্ভুদ্ধ করার কাজের পরিধি আরও বাড়াবে।
দুর্নীতি প্রতিরোধে কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এনজিওকর্মীদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত আলোচনায় সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, জনগণকে সম্পৃক্ত করেই এ কাজ করা হবে।
তিনি বলেন, ঢাকাসহ সারাদেশে মোট ২৩ কার্যালয়ের ১,০৭২ জন জনবল নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করছে দুদক। আর সহযোগী হিসেবে মাঠ পর্যায়ে প্রায় ৫০০টি দুর্নীতি বিরোধী কমিটি মতো রয়েছে। সুপ্রিম ও বিচারিক আদালত কাজ করেন এর আইনজীবীরা।
এনজিওকর্মীদের সহযোগিতা চেয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, জনবলের সীমাবদ্ধতা নিয়ে এরই মধ্যে দুর্নীতির নেতিবাচক দিক সমাজে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে এ প্রতিষ্ঠান।
আলোচনায় আরো বলা হয়, দেশ থেকে দুর্নীতিকে বিদায় জানাতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জোড়ালো মনভাব তৈরি করতে চায় দুদক। আগামী পাঁচ বছরে ৮টি কৌশলে ৫৯টি কর্মপরিকল্পনাও রয়েছে সংস্থাটির।