রাজধানীর কূটনৈতিক এলাকা গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনে চালু হয়েছে বিশেষ রঙের রিকশা ও শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাস সার্ভিস।
বুধবার গুলশানের পুলিশ প্লাজার সামনে এক অনুষ্ঠানে এ বিশেষ সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, এফবিসিসিআই সভাপতি মাতলুব আহমেদ, গুলশান সোসাইটির সভাপতি সাবেক সিইসি এটিএম শামসুল হুদা এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জমান মিয়া এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, প্রাথমিকভাবে দুটি রুটে ১০টি এসি বাস ও ৫০০টি রিকশা নামানো হয়েছে— এতে সেখানে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেন উত্তর সিটির মেয়র আনিসুল হক।
স্থানীয়রা চারটি সোসাইটি ও সিটি করপোরেশনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাদের অভিমত এসব পরিবহনের দরকার সার্বক্ষণিক তদারকি।
গুলশানে জঙ্গি হামলার পর এ এলাকা দিয়ে চলাচলকারী সব রুটের গণপরিবহন বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। সীমিত করা হয় রিকশা চলাচলও। এতে বিপাকে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে।
এ অবস্থায় এ এলাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে বুধবার থেকে চালু হচ্ছে স্পেশাল বাস ও রিকশা সার্ভিস। গুলশান, বারিধারা, বনানী এবং নিকেতন সোসাইটির উদ্যোগে এর বাস্তবায়ন করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।
প্রাথমিক পর্যায়ে বাসের দুটি রুট ঠিক করা হয়েছে। প্রথমটি গুলশান পুলিশ প্লাজা কনকর্ড থেকে গুলশান ১ ও দুই নম্বর গোলচত্বর হয়ে বনানী পর্যন্ত। দ্বিতীয় রুট গুলশান নতুনবাজার থেকে শুরু হয়ে ২ নম্বর গোলচত্বর হয়ে বনানী পর্যন্ত। প্রতি ১০ মিনিট অন্তর এসি বাস চলবে এই দুটি রুটে।
এ এলাকার চারটি সোসাইটির এলাকাতেও এখন থেকে চলবে দুই ধরণের নতুন রিকশা। প্রাথমিকভাবে গুলশানে ২০০, বনানীতে ২০০, এবং বারিধারা ও নিকেতনে ৫০টি করে রিকশা নামানো হচ্ছে। এসব রিকশা চলাচলের বিষয়ে বেশ কিছু নিয়মও ঠিক করে দেয়া হয়েছে।
এদিকে, এসব এলাকা দিয়ে ওই বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থাকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তারা বলেন, মনিটরিংয়ের অভাবে সাধারণ মানুষকে যেন ঝামেলায় পড়তে না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে কর্তৃপক্ষকে।