জঙ্গি ও জঙ্গিবাদ ভীতি দূর করে সমাজে আলো জ্বালিয়ে এদেশে সাধারণ মানুষের মন আলোতে উদ্ভাসিত করে দেয়া হবে—এ মন্তব্য করেছেন শ্রমিক-কর্মচারী -পেশাজীবী-মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।
বুধবার শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন আয়োজিত ‘রুখে দাও জঙ্গিবাদ- রুখে দাড়াও বাংলাদেশ’ শীর্ষক পতাকা মিছিল পূর্ব এক আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, জঙ্গি এবং জঙ্গিবাদ এ দেশের মানুষের গোদের উপর বিষ ফোড়া। এ বিষ ফোড়া কেটে ফেলতে হবে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।
সভা শেষে জাতীয় পতাকা হাতে নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের নেতৃত্বে একটি মিছিল জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।
মিছিলের পর গুলশানে নৌ পরিবহন মন্ত্রী বিআইডব্লিউটিসি নির্মিতব্য ভবনের উদ্ধোধন করেন।
শাজাহান খান বলেন, বিএনপি ও জামাত শিবিরের রাজনীতি বোমা মেরে মানুষদের হত্যা করা। পেট্রোল বোমার নির্দেশ দাতা খালেদা জিয়া কে ঘরে ফিরে যেতে বাধ্য করেছিলাম।
তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এখন জঙ্গিদের নিয়ে খেলছেন—তাকে এই ষড়যন্ত্র বেশী দিন চালাতে দেয়া হবে না, তিনি এই জঙ্গিদের নিয়ে ঘরে উঠে যাবেন।
শাজাহান খান বলেন, আমরা ‘তথ্যসেল’ গঠন করবো’ যারা জঙ্গিদের সাহায্য আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় তাদের নাম সংগ্রহকরে কর্তৃপক্ষের কাছে দেব।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই এগিয়ে যাওয়া খালেদা জিয়া পছন্দ করেন না।
তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের স্বামী জিয়াউর রহমান হত্যার রাজনীতি চালু করেছিল—সেই হত্যার রাজনীতি ও নীতি এখনো চালু রেখেছে।
বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদদের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমত কাদির গামা, চিত্র পরিচালক রোকেয়া প্রাচী, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সাহাবউদ্দিন, সংগঠনের মহাসচিব মহম্মদ হেদায়েত হোসেন ও মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোশফিকুল ইসলাম। এতে সভাপািতত্ব করেন সরকারী কর্মচারী কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি মো: ওয়ারেছ আলী। সূত্র বাসস।