বাঙালির শোকের দিন ১৫ আগস্ট কাল- সোমবার জাতীয় শোক দিবস।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাত বার্ষিকী— ১৯৭৫ সালের এদিন কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্য সপরিবারে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুকে। দিনটিকে কেন্দ্র করে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।
বঙ্গবন্ধুর সমাধি ও প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ নেয়া হয়েছে নানা রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি।
বাঙালি জাতির জীবনে কলঙ্কিত একটি দিন ১৫ আগস্ট। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের এদিনে, কতিপয় রাজনৈতিক কুচক্রীর যোগসাজসে, সেনাবাহিনীতে ঘাপটি মেরে থাকা একটি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী সপরিবারে হত্যা করে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুকে। সেদিন দেশে না থাকায় প্রাণে বঁচে যান বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।
সোমবার বঙ্গবন্ধু হত্যার ৪১তম শাহাদাত বার্ষিকী। এদিন জাতীয় শোক দিবস— রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে অর্ধনমিত থাকবে জাতীয় পতাকা। উত্তোলন করা হবে কালো পতাকা।
দিনের কর্মসূচির শুরুতে ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শোকাবহ আগস্টে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো। সকালেই দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।পরে বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্ট নিহতদের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তিনি।
সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনকের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেবন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সশস্ত্র সালাম জানাবে তিন বাহিনী। পরে প্রধানমন্ত্রী অংশ নিবেন মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে। বাদ জোহর সকল ধর্মীয় উপসনালয়ে হবে বিশেষ প্রার্থনা।
বাদ আছর বঙ্গবন্ধু ভবনে মহিলা মহিলা আওয়ামী লীগের মিলাদ মাহফিলে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
১৬ আগষ্ট, মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা। এতে সভাপতির ভাষণ দেবেন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।