বঙ্গবন্ধুকে হত্যার দিন ভোরে ঘাতকচক্রের কামানের গোলায় মোহাম্মদপুরে নিহত হয়েছিলেন ১৩ জন। তবে ওই হত্যার বিচার হয়নি আজও। ১৯৯৬ সালে এ ঘটনায় মামলা হলেও ঝুলে আছে বিচার প্রক্রিয়া।
এ মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা উপস্থিত না হওয়ার কারণেই এত সময় লাগছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।
তবে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা আদালতে জবানবন্দি দিলে মামলাটি দ্রুত শেষ হতো বলেই জানিয়েছেন তারা।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে হামলা চালায় কিছু বিপথগামী সেনাসদস্য। এসময় সেনাদের ছোড়া গোলা মোহাম্মদপুর শেরশাহ সুরী রোডের টিনশেড বস্তির ওপর গিয়ে পড়ে। এতে নিহত হন ১৩ জন। গোলায় আহত হন ৩৪ জন। এঘটনায় নিহত রিজিয়া বেগমের স্বামী মোহাম্মদ আলী ১৯৯৬ সালে মামলা দায়ের করেন।
২০০১ সালে সিআইডি অভিযোগপত্র জমা দেয় আদালতে। যাতে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কর্নেল ফারুক, কর্নেল মুহিউদ্দিন, মেজর ডালিম, কর্নেল রশিদ, মেজর রাশিদসহ ১৮ জনকে আসামি করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, আগামী মাসে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে—আর সাক্ষীদের ঠিকানা না জানার কারণে তাদের কাছে আদালতের সমন পৌঁছায়নি।
এই মামলাটির সাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা মুন্সি আতিকুর রহমান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী— কিন্তু তিনিসহ অন্য সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিতে আসছেন না।
রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর-পিপি আবদুল্লাহ আবু জানান গুরুত্বপূর্ণ এ মামলাটি শেষ করতে সরকার আন্তরিক।