বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের কোনো ইচ্ছা নেই তুরস্কের তবে যেহেতু তাদের দেশে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি নেই সে কারণেই যুদ্ধাপরাধ বিচারে মৃত্যুদণ্ডের রায়ে তারা প্রতিবাদ জানায়— এ সব কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত দেভরিম ওজতুর্ক।
তুরস্কে সাম্প্রতিক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার রাজধানীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ওই অভ্যুথ্থানে জড়িত সন্দেহে ঢাকার দূতাবাস থেকেও ৩ কূটনীতিককে ফেরত নেয়া হয়েছে।
যুদ্ধাপরাধী জামাতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের বিরুদ্ধে তুরস্কের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো এবং পরবর্তীতে তাকে দেশে ডেকে পাঠানোর বিষয় সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত তুরস্কে মৃত্যুদণ্ড বিলোপ করা হয়েছে উল্লেখ করে দেভরিম ওজতুর্ক বলেন, বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবেই এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তুরস্ক।
তুর্কি রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, সে দেশে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বজুড়ে তুরস্কের প্রায় ৩০০ কূটনীতিকের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এরমধ্যে ঢাকায় তুর্কি দূতাবাসে কর্মরত ৩ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এরইমধ্যে এক কূটনীতিক দম্পতি তুরস্ক গিয়ে পরে অন্য দেশে চলে গেছেন ও আরেকজন আঙ্কারায় ফিরেছেন বলে জানান দেভরিম ওজতুর্ক।
গত ১৫ জুলাই তুরস্কে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে তুরস্ক দূতাবাস সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে দেশটির সেনা অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেন ঢাকায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত দেভরিম ওজতুর্ক।