রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্প এখনো সাভারে যথাযথভাবে স্থানান্তর না হওয়ার জন্য সরকার ও ট্যানারি মালিক- উভয়পক্ষই দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনেরা।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘বুড়িগঙ্গা নদী দূষণ ও ট্যানারী শিল্প স্থানান্তর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এ সব কথা বলেন।
ট্যানারিগুলো সাভারে স্থানান্তরের কথা থাকলেও মালিক এবং সরকারের অনীহার কারণে তা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ করে গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, এ সমস্যা নিরসনে সরকার এবং মালিকপক্ষ উভয়কে আন্তরিক হতে হবে।
এছাড়াও বুড়িগঙ্গাসহ অন্যান্য নদী দুষণের সঙ্গে জড়িতদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য অভিমত দেন ‘আমরাও পারি’ জোটের চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল।
এদিকে, নদীর বর্জ্য পরিস্কার করতে ওয়াসার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসীম এ খান।
প্রসঙ্গত, পৃথিবীর পঞ্চম সর্বোচ্চ দূষিত নদী বুড়িগঙ্গা— প্রতিদিন প্রায় ১৫০ কোটি লিটার তরল বর্জ্য বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার আশপাশের ৪টি নদীর পানিতে মেশে যা ৭,০০০ শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে আসে।
প্রতিদিন রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় ট্যানারি থেকে আগত অপরিশোধিত বর্জ্যর পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ১৬ লাখ লিটার।