মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণ করা হয়েছে দিনটির প্রথম প্রহরে।
রোববার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। নানা আয়োজনে স্মরণ করা হচ্ছে দিনটি।
শনিবার দিবাগত রাত ১২টা এক মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ অফিসে অস্থায়ী বেদির সামনে আলোর মিছিলে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণ করে 'আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান' নামের একটি সংগঠন। শহীদদের স্মরণে পালন করা হয় নীরবতা।
২১ আগস্ট উপলক্ষে দেয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ গ্রেনেড হামলায় শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে সব রাজনৈতিক দল নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে ২১ আগস্টের শোককে শক্তিতে পরিণত করে সন্ত্রাস ও জঙ্গিমুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন ২১ আগস্টের হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা এবং তাদের মদদদাতাদের সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে দেশ থেকে হত্যা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের অবসান হবে।
নানা আয়োজনে স্মরণ করা হচ্ছে দিনটি। বিকেল ৪টায় বঙ্গবন্ধু আ্যাভিনিউয়ে স্থাপিত অস্থায়ী বেদিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পন করবেন ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন।
আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক,সাংস্কৃতিক পেশাজীবী সংগঠনের নেতারাও অনুরুপ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
সেখানে শেখ হাসিনা ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের পরিবারের সদস্য ও আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং আলোচনা সভায় অংশ নেবেন।
বিগত ২০০৪ সালের এ দিনে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দলটিকে নেতৃত্বশূন্য করতে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা হয়। ওই হামলায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ওই হামলায় শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ নিহত হন ২৪ জন নেতাকর্মী। আহত হয়েছিলেন তিন শতাধিক মানুষ।