শরীরে অসংখ্য স্প্লিন্টারের যন্ত্রণা সয়ে বেঁচে আছেন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহতরা। কেউ কেউ চিরতরে বরণ করেছেন পঙ্গুত্ব। কারো কারো জীবনধারণ ভয়াবহ সেই দিনের ক্ষতকে সঙ্গী করেই। আজও শোকে বিহবল নিহতদের পরিবার। সরকারের কাছ থেকে নামমাত্র সহযোগিতা পেলেও বিচারের দীর্ঘসূত্রতায় হতাশ তারা।
১২ বছর আগে ঠিক এই দিনে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে দলের অন্য কর্মীদের সঙ্গে বসে সভানেত্রীর ভাষণ শুনছিলেন রিনা শেখ। বক্তব্যের একপর্যায়ে বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে চারপাশ। একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরিত হতে থাকে। আহত অবস্থায় জ্ঞান হারান রিনা।
কেন্দ্রীয় নেত্রী আইভি রহমানের সঙ্গে মঞ্চের নীচে সামনের সারিতেই ছিলেন বর্তমান সংসদ সদস্য উন্মে রাজিয়া কাজল। প্রথম গ্রেনেড বিস্ফোরণেই অসংখ্য স্প্লিন্টার বিদ্ধ হন। প্রাণে বেঁচে গেলেও অসহনীয় যন্ত্রণা প্রতিটি মুহূর্তে তাকে মনে করিয়ে দেয় ভয়াল সেই দিনের কথা।
২১ আগস্ট হামলা মামলার আহত এসব সাক্ষীদের অনেকেরই অভিযোগ সরকারের কাছ থেকে তারা পাননি কাঙ্খিত সহায়তা।
গ্রেনেড হামলায় নিহত ২৪ জনের মধ্যে ছিলেন আদা চাচা নামে পরিচিত রফিকুল ইসলামও— তার ৮সন্তান এখনো তাকিয়ে আছেন সরকারের দিকে।
গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের বিচার দ্রুত শেষ করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি হতাহতদের পরিবারের।