আওয়ামী লীগ নেত্রী, বিশিষ্ট নারী নেত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আইভি রহমানের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ- মঙ্গলবার।
২০০৪ সালের একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত হওয়ার দুদিন পর তিনি মারা যান। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি স্মরণ করছে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।
১৯৪৪ সালের ৭ জুলাই ভৈরব বাজারের চন্ডিবের গ্রামে আইভি রহমানের জন্ম। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ জালালউদ্দীন আহমেদের কন্যা আইভি রহমানের পুরো নাম জেবুন্নাহার আইভি।
১৯৫৮ সালে স্কুলে পড়া অবস্থায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। স্বামীর হাত ধরে তার রাজনীতিতে পদার্পন। ৬২'র শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ছয় দফা আর ৬৯'র গণঅভ্যুত্থান- বাঙালি মুক্তির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি ছিলেন রাজপথের যোদ্ধা। একাত্তরে রণাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন আইভি রহমান।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চালানো হয় গ্রেনেড হামলা। সমাবেশের অস্থায়ী মঞ্চ করা হয়েছিল যে ট্রাকটিতে তার নীচেই দলের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বসেছিলেন আইভি রহমান। দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে একের পর এক গ্রেনেড হামলায় নিথর হয়ে গিয়েছিল মিছিলের সাহসী এ মুখটি। এর দুদিন পর ২৪ আগস্ট সিএমএইচ হাসাপাতালে আইভি রহমান মারা যান।
রাজনীতির বাইরেও নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন আইভি। দলের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকার পাশাপাশি তিনি ছিলেন মহিলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক। ছিলেন জাতীয় মহিলা সমিতির সভানেত্রীও।
তার মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। জন্মস্থান ভৈরবেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হচ্ছে আইভি রহমানকে।