নবনির্মিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারেও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে— তবে আগের কারাগারের চেয়ে অনেক কম।
মঙ্গলবার দুপুরে কেরানীগঞ্জে নতুন কারাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক।
বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাতের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকাসহ নানা কারণে নতুন এ কারাগারের নকশা প্রণয়নকারীদের সমালোচনা করেন তিনি।
এছাড়া, গ্যাস সরবরাহ, বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান ও কয়েদিদের অযথা বন্দি না রাখাসহ বেশ কয়েকটি সুপারিশ করেন কাজী রিয়াজুল হক।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেয়ার পর মঙ্গলবার প্রথমবারের মত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শন করেন কাজী রিয়াজুল হক। কারাগারের ভেতরে বিভিন্ন স্থান ঘুরে কয়েদিদের সঙ্গে কথা বলে পরে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তিনি।
বেশ কয়েকটি সমস্যার কথা তুলে ধরে চেয়ারম্যান বলেন, নতুন এ কারাগারেও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে— তবে আগের কারাগারের তুলনায় তা অনেক কম।
বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের দেখা করার পর্যপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এর নকশা প্রনয়ণকারী প্রতিষ্ঠান পিডব্লিউডির এর সমালোচনা করেন কাজী রিয়াজুল হক বলেন, কারাগারে দ্রুত গ্যাস সংযোগ দিতে হবে আর নিশ্চিত করতে হবে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ।
কয়েদিদের জন্য মসজিদ নির্মাণ, যেকোনো ধরনের সিন্ডিকেটের ব্যাপারে সতর্ক থাকাসহ বেশ কয়েকটি সুপারিশ করেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।
এসব সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন করে বন্দিদের দুর্দশা দূর করা হবে বলে এ সময় আশ্বাস দেয় জেল কর্তৃপক্ষ।