আজ ২৪ আগষ্ট— ইয়াসমিন ট্রাজেডি দিবস। ১৯৯৫ সালের এ দিনে গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয় দিনাজপুরের ইয়াসমিনকে। প্রতিবাদে দিনাজপুর কোতোয়ালী থানা ঘেরাও করে বিক্ষুব্ধ জনতা। সে সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন ৭ জন।
সারাদেশে ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে দিনটি।
দিনাজপুর শহরের রামনগর এলাকার কিশোরী ইয়াসমিনকে ১৯৯৫ সালের ২৪ আগষ্ট, গণ ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এর প্রতিবাদে ২৭ আগষ্ট জনতা দিনাজপুরের কোতয়ালী থানা ঘেরাও করে।
এ সময় তাদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় পুলিশ। গুলিতে নিহত হন ৭ জন। অবশ্য, পরবর্তীতে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের ফাঁসি হয়।
একমাত্র মেয়েকে হারানোর দুঃখ, আজও তাড়া করে বেড়ায় ইয়াসমিনের মাকে।
সেদিনের নিহতদের কথা স্মরণ করে প্রতিবাদী দিনাজপুরবাসীর সাহসিকতার বিষয়টা তুলে ধরেন দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল।
সেদিনের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল দিনাজপুর মহিলা পরিষদ সাধারণ সম্পাদিকা কানিজ রহমান।
দিনাজপুরে সংগঠনটির সভানেত্রী বলেন, ইয়াসমিন মারা যাওয়ার পর থেকেই মূলত সারাদেশে এ দিনটি পালিত হচ্ছে ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে।
এ ধরনের নির্মম ও বর্বোরোচিত ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে জন্য নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নামবে এমনটাই সবার চাওয়া।