ন্যূনতম মজুরিসহ বিভিন্ন দাবিতে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের নৌযান ধর্মঘটের ২য় দিন বুধবারে অচল হয়ে পড়েছে দেশের প্রধান নদী বন্দরগুলো। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
জানা গেছে, ভোর ৫টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চল থেকে মাত্র ২২টি লঞ্চ ঢাকার সদরঘাটে ভিড়েছে— আর এ পর্যন্ত ছেড়ে গেছে ৬টি।
ঢাকা নদীবন্দরের নৌযান পরিদর্শক দীনেশ কুমার সাহা জানান, বেলা ১১টা পর্যন্ত লঞ্চ এসেছে মাত্র ২২টি আর টার্মিনাল ছেড়ে গেছে ৬টি।
বাংলাদেশ নৌযানশ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, দাবি মানা না পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে এখানে যেসব লঞ্চ ছেড়ে গেছে, সেগুলো নৌযানশ্রমিক ফেডারেশনের সম্পৃক্ত না। দাবিদাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে সারাদেশে এ ধর্মঘট শুরু করেছে বলে জানান নৌযান শ্রমিকরা।
এদিকে, মালিক-শ্রমিক সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. শাহ্ আলম ভূঁইয়া বলেন, নৌশ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বানে চার দফা দাবিতে এ ধর্মঘট চলছে।
চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে ন্যূনতম মজুরি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বেতন স্কেল ঘোষণা, দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ পুনর্নির্ধারণ, নৌপথে সন্ত্রাস, ডাকাতি ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ নদীপথ প্রতিরক্ষা বলেও জানান তিনি।
এদিকে, ধর্মঘটের খবর না জানার কারণে নদীবন্দরে গিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন দূরযাত্রার যাত্রীরা।