তামিম চৌধুরীর মতো শিগগিরই জঙ্গি নুরুল ইসলাম মারজান ও চাকুরিচ্যুত মেজর জিয়াউল হক জিয়ার ‘চ্যাপটার ক্লোজ’ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ বলে জানারেন কাউন্টার টেরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
রোববার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মনিরুল ইসলাম বলেন, এ দুজনসহ আরো ৮ থেকে ৯ জন জঙ্গি সংগঠককে এখন খুঁজছে পুলিশ— নারায়ণগঞ্জ আস্তানায় পাওয়া আলামত থেকে গুলশানের হলি আর্টিজান, শোলাকিয়া, কল্যাণপুরের পর জঙ্গিদের পরবর্তী টাগেট সর্ম্পকে তথ্য পাওয়া যাবে।
কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানায় জেএমবির গুরুত্বপূর্ণ ৪ জন ও এসব জঙ্গিদের প্রধান তামিম চৌধুরী মারা যাওয়ায় নব্য জেএমবি দুর্বল হয়ে পড়েছে বলেও জানান তিনি।
কাউন্টার টেরিজম ইউনিটের প্রধান আরো বলেন, গত এপ্রিল মাস থেকেই গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার পরিকল্পনা করে আসছিল তামিম চৌধুরীর নেতৃত্বে নব্য জেএমবির সদস্যরা। এরপর সদস্য বাছাই করে তাদের গোপন স্থানে জঙ্গি প্রশিক্ষণ ও আত্নঘাতী করে গড়ে তুলেছিল তারা। আর এসবের পিছনে একটা বড় অর্থের উৎসও ছিল যা পুলিশ তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করছে না। নারায়ণগঞ্জের আস্তানার সন্ধান সম্পর্কেও কিছু জানায়নি পুলিশ।
তিনি আরো বলেন, গুলশান ঘটনায় মূলহোতা তামিমের কাজের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে নুরুল ইসলাম মারজান। নিহতদের ছবি বিভিন্ন স্থানে পাঠানোর দায়িত্ব ছিলো মারজানের। তাকে ধরতে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
মারজান ছাড়াও চাকুরিচ্যুত মেজর জিয়াউল হক জিয়াসহ আরো কয়েকজনকে খুঁজছে পুলিশ বলেও জানান মনিরুল ইসলাম।