সেবার মান বাড়াতে পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে দালালমুক্ত করতে—দালালদের জন্যই পাসপোর্ট অফিসের বদনাম হয় এ মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি মিলনায়তনে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কার্যক্রমের ওপর দুদক আয়োজিত গণশুনানিতে দুদকের চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।
ইকবাল মাহমুদ বলেন, পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতি আছে, তবে আগের চেয়ে কমেছে— সব মিলিয়ে নাগরিকদের সেবা পাওয়ার কথা থাকলেও তা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি এ তারা।
তিনি বলেন, পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনে হয়রানি হয়— তারা টাকা ছাড়া কাজ করে না স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টা খতিয়ে দেখবে।
গণশুনানিতে দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) নাসিরউদ্দীন আহমেদ, কমিশনার (তদন্ত) এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ রিজওয়ানসহ দুদক ও পাসপোর্ট অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে গণশুনানির আয়োজন করে থাকে দুদক।
এর আগে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), সাব-রেজিস্ট্রার অফিসসহ একাধিক দপ্তর নিয়ে গণশুনানি করেছে সংস্থাটি। ঢাকার বাইরে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, ঢাকার সাভার, কক্সবাজার, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংস্থার পক্ষ থেকে গণশুনানির আয়োজন করা হয়।
এসব শুনানিতে ভুক্তভোগীরা তাদের অভিযোগ পেশ করেন।
উপস্থিত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা অভিযোগ অনুসারে সমাধান বাতলে দেন। কোনোটিতে দেন সমাধানের প্রতিশ্রুতি।