মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে পাকিস্তানের মতামত দেয়ার কোনো সুযোগ নেই— এটা বাংলাদেশের একেবারে অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামরুল হাসান।
রোববার দুপুরে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার সামিনা মেহতাবকে ডেকে বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তিনি আরো বলেন, পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকে ডেকে এও জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, এ বিচার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে, মীর কাসেম আলীকে আপিল করার সুযোগও দেয়া হয়েছে।
যুদ্ধাপরাধী আল বদর কমান্ডার মীর কাশেম আলীর ফাঁসির রায় কার্যকরের পর বরাবরের মতো এবারও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রশ্ন তুলেছে বিচার প্রক্রিয়া নিয়েও।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনারকে রোববার তলব করে। এরপর বিকাল সোয়া ৩টার দিকে পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার সামিনা মেহতাব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেন।