আগামী ৪৮ঘণ্টার মধ্যে চামড়ার যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করে বাণিজ্যসচিবের অনুমোদন নিয়ে তা প্রচারের নির্দেশ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
সোমবার সচিবালয়ে চামড়া ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা গতবছরের তুলনায় ৪০% দাম কম নির্ধারণ করে চলতি বছর চামড়া কেনার যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা অগ্রহণযোগ্য।
এ সময় চামড়ার বাস্তবসম্মত মূল্য নির্ধারণ করতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, পশু রপ্তানি না করার ভারতের যে সিদ্ধান্ত তা বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হয়েছে কারণ দেশের আনাচে কানাচে এখন পশু পালন হচ্ছে।
এছাড়া কোরবানির ঈদে যাতে লবণের সঙ্কট তৈরি না হয়, সেজন্য দেড় লাখ টন লবণ আমদানি করা হবে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, মঙ্গলবারই এ লবণের জন্য এলসি খোলা হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের প্রণোদনার আশ্বাস দিয়ে বলেন, সাভার থেকে ‘ক্রাস্ট ও ফিনিশড’ লেদার যারা রপ্তানি করবেন ওইসব ব্যবসায়ীদের ৫% নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে, নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং শিগগিরই অর্থ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে সার্কুলার জারি করা হবে।
এদিকে, বাংলাদেশ ট্যা নার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, গতবছর ঢাকায় গরুর কাঁচা চামড়ার প্রতিবর্গ ফুট ৫০ থেকে ৫৫ টাকা আর ঢাকার বাইরে গরুর কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলেন, একটি মাঝারি আকারের গরুর চামড়ায় ৫ থেকে ৬ কেজি লবণ এবং বড় আকারের গরুর চামড়ায় ৮ থেকে ১০ কেজি লবণ দিতে হয়। প্রতিটি ছাগলের চামড়ায় ৩ থেকে ৪ কেজি এবং মহিষের চামড়ায় ১০ থেকে ১৫ কেজি লবণ লাগে।