মানুষের দাবি অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে—জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
আনিসুল হক বলেন, সম্পত্তির বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে খুব দ্রুততার সঙ্গে করা হবে বা বিলম্ব হবে তা বলছি না, আমরা চাইবো তাড়াতাড়ি করার।
এটা এখন ‘জনগণের দাবি’ আর তা পূরণে যে পদক্ষেপই নেয়া হোক- তা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে—এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আইসিটি (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুমনাল) আইনের মধ্যে একটি সুযোগ করা যেতে পারে বা নতুন আইন করা যেতে পারে।
আইনটি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্যই করা হচ্ছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে আনিসুল হক বলেন, “আমি বাজেয়াপ্ত করার কথা বলিনি, বাজেয়াপ্ত করা হবে কি না- তা কোর্ট নির্ধারণ করবে।
এদিকে, আলবদর কমান্ডার মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকরের ঘটনায় পাকিস্তানে ও তুরস্কের প্রতিক্রিয়ার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন।
রাজধানীতে এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সংগঠনের আহবায়ক নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান বলেন, দেশের অভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে এই ধরনের প্রতিক্রিয়া ধৃষ্টতার শামিল।
মন্ত্রী বলেন, দেশের ভিতরেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের ষড়যন্ত্র চলছে যেকোনো মূল্যে তাদের প্রতিহত করা হবে।
আলবদর কমান্ডার মীর কাসেমের ফাঁসি নিয়ে পাকিস্তান ও তুরস্কের মন্তব্যের প্রতিবাদে আগামীকাল বিকেল ৫টায় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মশাল মিছিল করবে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন।