বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্কের সঙ্গে এবার মানুষে মানুষে সম্পর্ক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে দুদেশ আর এ সর্ম্পকের ক্ষেত্র হবে দুদেশের তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে।
বাংলাদেশ-চায়না ফাউন্ডেশন ফর ফিউচার নামে সংগঠনটি এ কাজে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিং কিয়াং, বলেন, বাংলাদেশের সকল উন্নয়নের অংশীদার হয়ে পাশে থাকতে চায় তার দেশ।
বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে জাপানের পরেই আসে চীনের নাম। দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার চীন। রয়েছে ব্যবসায়ীক সম্পর্ক। দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কও অর্ধশত বছরের। এসব দিক বিবেচনা করেই " বাংলাদেশ-চীন ফাউন্ডেশন ফর ফিউচার" নামে একটি সংগঠন যাত্রা শুরু করেছে।
দুদেশের মধ্যে মানুষে মানুষে যোগাযোগ ও সম্পর্ক স্থাপনই এর মূল উদ্দেশ্য।
এর উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, দুদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে শিক্ষা, প্রযুক্তি, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির আদান-প্রদানের মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে এই ফাউন্ডেশন বলে জানান বাংলাদেশ-চায়না ফাউন্ডেশন ফর ফিউচারের চেয়ারম্যান সাবের হোসেন চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিং কিয়াং দুদেশের চল্লিশ বছরের কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে অংশীদার হয়ে থাকতে চায় চীন।
আর প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই ফাউন্ডেশন দুদেশের মধ্যে সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করবে।
সংগঠনটির লক্ষ্য অনুযায়ী শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের চীনে পাঠানো হবে। একইভাবে চীনের শিক্ষার্থীরাও বাংলাদেশে ভ্রমণ ও শিক্ষা প্রযুক্তি, সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত ও আদান-প্রদান করতে পারবে।