ঈদে সবচেয়ে বেশি মানুষ বাড়ি যায় সড়কপথে— দীর্ঘ যানজটের আটকা পড়ে ভোগান্তিও পোহাতে হচ্ছে ঘরমুখো এসব মানুষকে। সেইসঙ্গে সময়মতো ফিরতে পারছে না গাড়িগুলো।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছে, সড়ক-মহাসড়কে তীব্র যানজট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরি পারাপার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় এমন অবস্থা। ঈদে প্রতিবারের এ দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান চান যাত্রীরা।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরি পারাপার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় দেখা দিয়েছে অসহনীয় যানজট। নির্ধারিত সময়ের ৫-৬ ঘণ্টা পরেও টার্মিনালে এসে পৌছতে পারছে না গাড়ি।
উত্তরও দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের অনেকেই সকাল থেকে গিয়ে বসে আছেন টার্মিনালে।
সকালের গাড়ি বিকেলে, আর বিকেলের গাড়ি কখন আসবে তা বলতে পারছেনা যাত্রী কিংবা পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। টার্মিনালগুলোতে পরিবার-পরিজন নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে অনেককে। যে সময়ে বাড়ি পৌছানোর কথা, অথচ যাত্রাই শুরু করতে পরেননি।
কোরাবানির পশুবাহী গাড়িগুলোর কারণেই সড়ক-মহাসড়কে যানজট। আর যানজটের কারণে গাড়িগুলো দেরিতে আসছে বলে জানিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবার ঈদে এই ভোগান্তির অবসান চান ঘরমুখো যাত্রীরা।
এদিকে, ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীর চাপ ছিলো কিছুটা কম। ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হলেও, শিডিউলে বড় ধরনের হেরফের ঘটেনি। কিছুটা ভোগান্তি হলেও প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে পারবেন, এতেই খুশি যাত্রীরা।
সকাল থেকে ঘরমুখো যাত্রীরা ছুটছেন কমলাপুর রেল স্টেশনে। শুক্রবারের তুলনায় ভীড় কিছুটা কম। স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ঘরমুখো মানুষগুলোর চোখে মুখে খুশির ছোঁয়া।
ট্রেন ছাড়তে কিছুটা বিলম্ব হলেও শিডিউলে তেমন হেরফের নেই। এ নিয়ে কোনো অভিযোগও নেই যাত্রীদের।