দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার করতে পারস্পরিক উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের অংশীদার হতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সেই সঙ্গে কোটা শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এরআগে, জাতিসংঘ সদরদপ্তরে শরণার্থী ও অভিবাসন সংক্রান্ত সাধারণ পরিষদের ঊচ্চপর্যায়ের কর্ম অধিবেশনে দেয়া ভাষণে শরণার্থী অধিকার রক্ষায় বৈশ্বিক ঐক্যমত্যের ওপর গুরুত্ব দেন।
মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেবেন তিনি।
বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিনিয়োগবান্ধব দেশ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের এদেশে আরো বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে কোটা ও শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে বিজনেস কাউন্সিল ফর ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারস্ট্যাডিং এর মধ্যাহ্নভোজ ও বৈঠকে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুইদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ আরো বাড়াতে রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধাগুলো অপসারণের উপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে, জাতিসংঘ সদরদপ্তরে শরণার্থী ও অভিবাসন সংক্রান্ত সাধারণ পরিষদের ঊচ্চপর্যায়ের কর্ম অধিবেশনে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে শরণার্থীদের আধিকার রক্ষায় বৈশ্বিক ঐক্যমত্যের ওপর জোর দেন তিনি।
সকালে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সুচি। বৈঠকের দুই নেত্রী দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। অং সান সুচিকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণও জানান প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া জাতিসংঘ সদর দপ্তরে কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া জ্যানেট স্কটল্যান্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক প্রসার নিয়ে আলোচনা করেন তারা।