নির্বাচন কমিশনার (ইসি) নিয়োগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার—এখানে সরকার বা আওয়ামী লীগের কোনো ভূমিকা নেই বলেই জানিয়েছেন দলটির নেতারা।
নেতারা বলেন, যারা এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চান তারা সংবিধান পড়ে দেখুন। আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, আবারও সার্চ কমিটির মাধ্যমে সবার সঙ্গে আলোচনা করেই নির্বাচন কমিশন নিয়োগ হবে।
শুক্রবার সকালে ধানমন্ডিতে দলের ২০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে শৃঙ্খলা উপ কমিটির সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দীন নাসিম বলেন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন পুরোপুরি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার। দল হিসেবে আওয়ামী লীগের এখানে কিছুই করার নেই।
এদিকে, জাতীয় প্রেসক্লাবে আরেক আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন বিষয়ে আলোচনা সরকারের সঙ্গে হতে পারে না।
তিনি আরো বলেন, আবারো সার্চ কমিটির মাধ্যমেই নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ হবে।
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের নেতারা আবারও নির্বাচন কমিশনসহ সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে বির্তকের ঊর্ধ্বে রাখার আহ্বান জানান।
প্রসঙ্গত, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ এখনো ৫ মাস বাকি। কিন্তু নতুন কমিশন পুনর্গঠন নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই সরগরম রাজনীতির মাঠ।