জাতীয়

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ২য় শ্রেণীর প্রযুক্তি ব্যবহার হবে

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি দ্বিতীয় শ্রেণীর ও সেকেলে প্রযুক্তি দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে—যা পরিবেশ ও প্রকৃতি সুরক্ষায় যথোপযুক্ত নয়। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নিয়ে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণের সারসংক্ষেপে এসব তথ্য তুলে ধরেছে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি।

যা পরিবেশের জন্য নেতিবাচক প্রভাব প্রতিরোধে সক্ষম নয় বলে জানিয়েছে কমিটি- এছাড়া এতে প্রকল্পটিকে অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশর বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পিডিবি ও ভারতের এনটিপিসর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটি আগামী ২০১৮ সালে নির্মাণ হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে এর সময় পিছিয়ে ২০২১ সাল নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে প্রকল্পটি নির্মিত হলে সুন্দরবন ও তার পার্শ্ববর্তী জনপদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।

সরকারের পক্ষ থেকে সুপার ক্রিটিকাল প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা বলা হলেও এটি ৩০ বছরের পুরাতন প্রযুক্তি দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে।

শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি আহ্বায়ক সুলতানা কামাল।

এ সময় তারা রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণের তথ্য তুলে ধরেন।

রিপোর্টে বলা হয়েছে এটি নির্মিত হলে পানি ও বায়ু দূষণের পাশাপাশি কয়লার ছাই অপসারণেও যথোপোযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিদ্যুতের দাম তিনগুণ বেড়ে যাবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন অর্থনীতিবিদরা।

এদিকে, বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ সুন্দরবন রক্ষায় রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প পুনর্বিবেচনা করা বা তা অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপিপন্থি পেশাজীবীদের সংগঠন শত নাগরিক কমিটি।

দুপুরে রাজধানীতে এক সেমিনারে সংগঠনটির পেশাজীবী নেতারা এ আহ্বান জানান। সুন্দরবন থেকে নিরাপদ দূরত্বে না হওয়ায় এ প্রকল্পের কারণে পৃথিবীর বৃহত্তম এ ম্যানগ্রোভ বনের জীববৈচিত্র ধ্বংস হবে বলেও সতর্ক করেন তারা।

এ সময় বক্তারা বলেন, বিদ্যুতের প্রয়োজনিয়তা থাকলেও বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা করতে হবে।

রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে কিনা এ বিষয়ে একগুঁয়েমি মনোভাব পরিহার করে প্রয়োজনে গণভোট দেয়ার আহ্বানও জানান সংগঠনটির নেতারা।

সেমিনারে অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও পেশাজীবীরাও। সরকারের কাছে অনেকেই দাবি তোলেন, দেশের জনগণ ও সুন্দরবনের ভবিষ্যত বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার।

সাবেক রাষ্ট্রপতি বি চৌধুরী ও কাদের সিদ্দিকী জনমত যাচাইয়ে গণভোট আয়োজনের দাবিও তোলেন।

সেইসঙ্গে সরকারকে একগুঁয়েমী মনোভাব পরিহারের আহ্বান জানান পেশাজীবী নেতারা।

সরকারের উদ্দেশ্য ড. এমাজ উদ্দিন ও জাফরুল্লাহ বলেন, বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে না নিয়ে জনকল্যাণ বিবেচনায় নিয়ে ভেবে দেখতে।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ