চীনের প্রেসিডেন্টের আসন্ন বাংলাদশে সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো দৃঢ় করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। চীনা প্রেসিডেন্টের সামনে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ সুবিধা তুলে ধরতে পারলে, দেশের অবকাঠামো এবং ব্যবসা-বাণিজ্য যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে তারা মনে করছেন।
সেইসঙ্গে বাংলাদেশে চীনের অর্থায়ন যাতে আরো সহজ শর্তে, সে বিষয়টিও আলোচানায় আনার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। আর ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য আনতে, এ সফর থেকেই কোন ঘোষনা আসবে।
প্রায় ৩০ বছর পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিধর দেশ চীনের কোন প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সফরে আসছেন। তার এই সফরকে ঘিরে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে চলছে বিস্তর হিসেব-নিকেশ।
বাংলাদেশ চাচ্ছে, দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক ও রেল যোগাযোগসহ বড় বড় প্রকল্পগুলোতে চীনের অর্থায়ন। এরই মধ্যে ২০টিরও উপরে সমঝোতা স্বারক সই করার প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে সরকার।
চীনও চায়, বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী হতে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যা বাংলাদেশের জন্য সুযোগ আরও বিস্তৃত করেছে।
ধারণা করা হচ্ছে, শি চিন পিংয়ের এই সফরের সময় প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের একটি রুপরেখা আসতে পারে।
গত অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ১০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। আর রপ্তানি করেছে, ১ বিলিয়ন ডলারেরও কম। ব্যবসায়ীরা চাচ্ছেন, দেশটির সঙ্গে এই বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে, এই সফরেই একটি সমঝোতা হবে।
জানা গেছে, সোনাদিয়া অথবা পায়রায় গভীর সমুন্দ্র বন্দর নির্মানে শি চিন পিং তার সরকারের আগ্রহের কথা জানাবেন।
তবে বাংলাদেশ এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্তে আসতে চাইছে না বলেও জানা গেছে।