চীনা প্রেসিডেন্টের আসন্ন সফর থেকে লাভ-ক্ষতি নির্ভর করছে বাংলাদেশের দরকষাকষির দক্ষতার ওপর। তাই প্রকল্পগ্রহণে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষ করে, ঋণের শর্ত যাতে কঠিন না হয় সে বিষয়ে বাংলাদেশকে অধিকরতর কৌশলী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। আর সড়ক যোগাযোগে চীনের অর্থায়ন না নিয়ে ভারতের দিকে এগুনোর পরামর্শও সরকারকে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের ঢাকা সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে বেইজিং এরইমধ্যে যথেষ্ট আগ্রহের বার্তা দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চীন যেসব প্রকল্পে অর্থায়ন করে সেখানে প্রতিযোগিতার জন্য কোনো টেন্ডার আহ্বান করা যায়না। বেধে দেয়া শর্ত অনুসারে, তাদের মনোনিত প্রতিষ্ঠানকেই কাজ দিতে হয়।
এর ফলে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি কাজের গুনগত মানও কমে যায়। এ বিষয়ে বাংলাদেশকে কৌশলি হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
তাদের মতে, চীনের কাজের মান নিয়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে প্রকল্পে তিক্ত অভিজ্ঞতা চীনের প্রেসিডেন্টের সামনে আনা প্রয়োজন।
এছাড়াও সড়ক যোগযোগের ক্ষেত্রে চীনের ঋণ নেয়া অযৌক্তিক কারণ বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগের সুফল ভারতও ভোগ করছে।
তাই এখানকার সড়ক যোগাযোগের উন্নয়নে ভারতের দায়বদ্ধতাকে কাজে লাগানোর পরামর্শ ড. ফরাসউদ্দিনের।
তার মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে চীন এখন আগ্রাসী ভূমিকায়। এর সুফল নিতে হলে কৌশলের কোন বিকল্প নেই।