চীনা প্রেসিডেন্টের সফরে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৬ বিলিয়ন ডলার আসতে পারে রেল সংযোগ প্রকল্পে। তবে রেল সংযোগ প্রকল্পে চীনের ঋণের পক্ষপাতি নন বিশেষজ্ঞরা। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
তাদের মতে, রেল সংযোগ প্রকল্পে রিজার্ভ ব্যবহার করলে, প্রকল্প ব্যয় যেমন কমবে তেমনি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে অর্থনীতিতেও।
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রোরেলসহ সড়ক ও রেলযোগাযোগ অবকাঠামো, তথ্য-প্রযুক্তি, এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ২৫টি প্রকল্প এরই মধ্যে চীনের অর্থায়নের জন্য ঠিক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে বাংলাদেশ-চীনের যৌথ কমিশনের সভায় এসব প্রকল্প চুড়ান্ত করা হবে।
জানা গেছে, পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্প, জয়দেপপুর থেকে ময়মনসিংহ, জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী এবং আখাউড়া থেকে সিলেট পর্যন্ত ৪টি রেল সংযোগ প্রকল্পে চীন তহবিল দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
তবে ঋণের চেয়ে এসব প্রকল্পে রিজার্ভের অর্থ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করছেন, রিজার্ভ ব্যবহার করলে, রেল সংযোগ প্রকল্পের ব্যয় কমবে, গুনগত মানও ভাল হবে। এর একটা ইতিবাচক প্রভাবও দেশের অর্থনীতিতে পড়বে।
রিজার্ভের অর্থ উন্নয়ন প্রকল্পে কিভাবে ব্যবহার করা হবে তা নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে এর উপায়ও বাতলে দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর।