ভারত-চীন এবং ভারত-পাকিস্তান দ্বান্দিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে নিরপেক্ষ অবস্থান নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে 'বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি; ভিশন ২০৪১' বাস্তবায়নের রূপরেখা' নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তারা এ পরামর্শ দেন। ভিশন-২০৪১ অর্জনে অর্থনীতি, জ্বালানি এবং জলবায়ুর পরিবর্তনকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তারা।
আর এরজন্য দক্ষ কূটনৈতিক তৈরি এবং মানবসম্পদ রপ্তানির ওপর গুরুত্ব দেয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।
ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ এবং বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের যৌথভাবে আয়োজিত এ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন দেশের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক এবং বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম ১২টি দেশের ২৬ জন সামরিক কর্মকর্তা।
সভায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এবং ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নের ওপর ৪টি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা দেয়া হয়।
এতে বক্তারা বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশকে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ কুটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক রাখতে হবে।
ভারত-পাকিস্তান এবং চীনের সম্পর্কের টানাপড়েনের মধ্যে বাংলাদেশকে কৌশলগত অবস্থান নেয়ার পরামর্শও দেন তারা।
সভাপতির বক্তব্যে সাবেক রাষ্ট্রদূত ফারুক সোবহান বলেন, আগামীতে অর্থনীতি, রপ্তানি এবং জ্বালানি হবে কূটনীতির প্রধান ক্ষেত্র।
ভিশন-২০৪১ অর্জনে বাংলাদেশকে আরও দক্ষ কূটনৈতিক তৈরি করার পরামর্শও দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পররাষ্ট্রনীতিতে বৈদেশিক বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করার পাশাপাশি তৈরিপোশাক রপ্তানির ওপর অধিকতর গুরুত্ব দেয়া উচিত।
একই সঙ্গে বিদেশে বাংলাদেশি বিনিয়োগের ব্যাপারটিও সমানভাবে গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ তাদের।