বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও সহায়তা নতুন উচ্চতায় নিতে চীন আগ্রহী বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং।
শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছানোর পর এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থার সম্পর্ককে আরো মজবুত করতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার জন্যশ আমরা প্রস্তুত। দুই দেশের সহযোগিতার সম্পর্ককে আমরা আরও উঁচুতে নিয়ে যেতে চাই।
বিবৃতিতে শি পিং বলেন, ৪১ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্ব সব সময়ই সামনের দিকে এগিয়েছে।
‘ওয়ান-বেল্ট, ওয়ান রোড’ নীতি ধরে এগিয়ে যাওয়া চীনের সহযোগিতা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে শি চিনপিংয়ের এ ঢাকা সফর। ১৯৮৬ সালে লিশিয়ানইয়ানের পর বাংলাদেশে আসা প্রথম চীনা রাষ্ট্রপ্রধান তিনি।
বিকেল ৩টার দিকে চীনের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দুই জনের উপস্থিতিতে ২৬টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। পরে দ্বিপাক্ষীয় বৈঠক করেন পিং এবং শেখ হাসিনা।
দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সকালে এসেছেন এবং আগামীকাল-শনিবার ভারতের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
পিং এর সফর সূচি:
বিকেলে হোটেল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট যাবেন। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে ২৫টিরও বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে।
পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শি চিন পিং বঙ্গভবনে বৈঠক করবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে। এ সময় তার সম্মানে রাষ্ট্রপতির দেয়া নৈশভোজে যোগ দেবেন তিনি।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করবেন চীনের প্রেসিডেন্ট।
শনিবার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং।