আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন ঘিরে বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচলে পুলিশের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করায় রাজধানী জুড়ে ভয়াবহ যানজট আর ভোগান্তির আশঙ্কা করছে নগরবাসী। কর্মস্থলে কিংবা প্রয়োজনে রাস্তায় বের হওয়া আর গণপরিবহন পাওয়া যাবে কি-না? তা নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন।
তবে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তাতে সাধারণ মানুষের কোন ভোগান্তি হবে না বলে দাবি করছে ডিএমপি।
জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে পুরো রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশ। সম্মেলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
২২ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে না পৌঁছানো পর্যন্ত ভিআইপি রোডে গাড়ি প্রবেশ করবে না।
প্রধানমন্ত্রী প্রবেশের পর ভিআইপি রোড যেমন বিজয় স্মরণী, সোনারগাঁও ক্রসিং, বাংলামোটর, রূপসী বাংলা, শাহবাগ, টিএসসিতে শুধু রাইট টার্ন খোলা থাকবে। এছাড়াও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে ফার্মগেট অভিমুখে এবং রাসেল স্কয়ার থেকে পান্থপথ অভিমুখে কোনো গাড়ি চলবে না।
একইসঙ্গে কাটাবন থেকে কোনো গাড়ি শাহবাগের দিকে আসবে না। টিএসসি থেকে দোয়েল চত্ত্বর দিয়ে চলাচল বন্ধ থাকবে।
শাহবাগ থেকে মৎস ভাবন একইভাবে মৎসভবন থেকে শাহাবাগে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনের উভয় দিকে রাস্তা বন্ধ থাকবে।
এ অবস্থায় এই কদিন সড়কে চলাচল নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজধানীর বাসিন্দারা। যদিও সাধারণ মানুষের চলাচলে কোন ভোগান্তি হবে না বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
তবে সাধারণ মানুষ বলছেন, দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের জাতীয় সম্মেলন হবে এতে ২/১ দিনের জন্য ভোগান্তি হলেও তা মেনে নিতে হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গি ইস্যুতে আইনশৃংখলা বাহিনীর সাফল্যে মানুষ মনে করছেন সম্মেলন নিরাপদেই হবে। মানুষের ভোগান্তি কমাতে পুলিশের নেয়া ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনাও সফল হবে।