আগামী ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে সুশাসন, বাস্তবায়ন সক্ষমতা এবং আয় বৈষম্য এ ৩টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
দেশ টিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ তিনটি জায়গায় উন্নতি করতে পারলে দারিদ্রতাকে যাদুঘরে পাঠানো সম্ভব।
তবে এ সময়ের আগেই ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ প্রাপ্তি এবং নারী পুরষের বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হবে বলে আশা করছেন তারা।
আগামী ২০৪১ সালে বাংলাদেশ কেমন হবে গতকাল আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনে তার একটি চিত্র তুলে ধরেছেন দলটির সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তার দেয়া চিত্র অনুযায়ী ২০৪১ সালে দেশের প্রবৃদ্ধি হবে গড়ে ৮ থেকে ১০ শতাংশ আর বাড়বে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা। দারিদ্র্যের হার নেমে আসবে শূন্যের কোঠায়, কর্মক্ষেত্রে নারী পুরুষের কোনো বৈষম্য থাকবে না এবং প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ যাবে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মহাপরাচালক ড. কেএএম মুরশিদ ও সেন্টার ফর ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, পূর্ব ঘোষিত রুপকল্প অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যেই ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে এবং এ সময়ে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে।
আর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী-২০৩০ সালের মধ্যেই দেশ দারিদ্র্যমুক্ত হবে— কিন্তু উন্নত দেশ হতে হলে বাংলাদেশকে আরও অনেক দূর যেতে হবে বলে মনে করেন তারা।
তারা বলেন, দারিদ্রতাকে যাদুঘরে পাঠাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে— এরজন্য প্রকল্প বাস্তবায়নের দক্ষতা বাড়াতে হবে।
সরকারি-বেসরকারি সবক্ষেত্রে নিশ্চত করতে হবে সুশাসন বলে জানান তারা।
তবে প্রধানমন্ত্রী যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন তা দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই মনে করেন তারা।