বৈদেশিক অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন এনজিওর কাজ বাধাগ্রস্ত করবে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সফররত নেদারল্যান্ডের বিশেষ দূত কিস ভ্যানবার এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনের বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রী তাকে আশ্বস্ত করেন।
বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন কিস ভ্যানবার। বৈঠক শেষে এনিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।
এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিধান রেখে ‘বৈদেশিক অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন’ পাস করে সরকার। আইনটি পাস হওয়ার পর থেকেই আন্তর্জাতিক ও দেশের মানবাধিকার সংস্থা এবং বিদেশি অনুদানে পরিচালিত বেসরকারি সংস্থাগুলো এর কঠোর প্রতিবার জানিয়ে আসছে।
মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করবে এমন উদ্বেগ প্রকাশ করে এ আইন প্রত্যাহারের দাবিও তুলেছে এনজিওগুলো।
ঢাকা সফরে আসা নেদারল্যান্ডের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত কিস ভ্যানবারও এ বিষয়ে জানতে চাইলেন। সচিবালয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এই প্রসঙ্গে তোলেন।
পরে সাংবাদিকদের কাছে আলোচনার বিস্তারিত তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডাচ দূতও। বর্তমানে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে তিনি উল্লেখ করেন।