দেশের সর্বোচ্চ কর দাতাদের কার্ডের সংখ্যা ২০ থেকে বাড়িয়ে ১২৫ করে ‘জাতীয় ট্যাক্স কার্ড নীতিমালার’ সংশোধিত খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার সকালে সচিবালযে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এটি অনুমোদন দেয়া হয়।
এছাড়াও ২০১৫-১৬ অর্থ-বছরের বার্ষিক প্রতিবেদনও উপস্থাপন করা হয় সভায়। এতে বলা হয়, দেশের আমদানি-রপ্তানি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ চলতি অর্থ বছরে বাড়লেও কমেছে রেমিটেন্স।
মোট ৮টি আলোচ্যসূচির মধ্যে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের চেয়ে গেল অর্থবছরে মাথাপিছু আয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, আমদানি-রপ্তানি, সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমান এবং রাজস্ব আদায়ের পরিমান বেড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
আর কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়েছে, জনশক্তি রপ্তানিতে আগের বছরের তুলনায় বাড়লেও কমেছে রেমিটেন্স।
পরে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
সভায় ‘জাতীয় ট্যাক্স কার্ড নীতিমালা’ সংশোধনের প্রস্তাব করে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। সংশোধনী খসড়ায় সর্বোচ্চ কর দাতাদের কার্ডের সংখ্যা ২০ থেকে ১২৫শে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়।
দেশের প্রবীন, নবীন, প্রতিবন্ধী, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, নারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ কর দাতাদের মধ্য থেকে বাছাইকৃতরা এই কার্ড পাবেন। এই কার্ড ব্যবহারকারীরা সরকারি স্বাস্থ্যসেবা, বিমান বন্দর ও বিমানে সুবিধাসহ বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাবেন।
এছাড়াও কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রস্তাব ‘বাংলাদেশ গম ও ভূট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন’ এবং ‘বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উপস্থাপিত’ বাংলাদেশ কর্তৃক ডি-আট সনদ অনুসমর্থনের প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় মন্ত্রীসভা।
অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতেই ইংলান্ডের বিপক্ষে টেস্টে ঐতিহাসিক জয় পাওয়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানানো হয়।