সরকারের চেষ্টায় ধনী-দরিদ্র বৈষম্য কমেছে—দেশের উন্নয়নে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় কৃষি জমি নষ্ট করে কারখানা নয় করা যাবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চাষ উপযোগী জমি সংরক্ষণ করতে হবে, পণ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে আর শিল্প কারখানা হবে নির্দিষ্ট জায়গায় এজন্য অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো গড়ে তোলা হচ্ছে।
শনিবার জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সমবায় পুরস্কার-২০১৪ প্রদান করে প্রধানমন্ত্রী।
দায়িত্বে অবহেলা না করে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে নিবেদিত প্রাণ হয়ে দারিদ্র বিমোচনে কাজ করতে সমবায়ের সঙ্গে জড়িতদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, আগামীতে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সমবায় সব চেয়ে বেশি ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরো বলেন, ঋণগ্রহিতাদের যেন নিঃস্ব হতে না হয় সেজন্য মাইক্রোক্রেডিট নয় মাইক্রোসেভিংসের মাধ্যমে মানুষকে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করছে সরকার। এসময় বিজয়ী ১০ উদ্যোক্তাকে জাতীয় সমবায় পুরস্কারে ভূষিত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সারাদেশের ২ লাখ সমবায়ের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে প্রায় ১কোটি মানুষ। এদের কেউ ক্ষুদ্রঋণ আবার কেউ মাছ চাষ করে ৪৫তম জাতীয় সমবায় দিবসে শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় ১০ জনকে জাতীয় সমবায় পুরস্কার প্রদান করা হয়।
দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সমবায়কে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমবায়ের মাধ্যমে দেশের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে হবে। আর উন্নত দেশের লক্ষ্য অর্জনে সমবায় আন্দোলন ভূমিকা রাখবে বলেও উল্লেখ করেন।
সরকারের নীতির কারণে ইতিমধ্যে দেশে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য কমে এসেছে সরকারের নীতি হচ্ছে বাংলাদেশকে উন্নত করা। আর সমবায়কে বহুমুখী সমবায় হিসেবে গড়ে তোলা। প্রধানমন্ত্রী আরো জানান, সরকার ক্ষুদ্র ঋণের পরিবর্তে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের ব্যবস্থা চালু করেছে।