শ্রদ্ধা-ভালবাসায় সিক্ত হলেন— বাংলাদেশের শিশু চিকিৎসার পথিকৃত জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান। দুপুরে জাতীয় শহীদ মিনারে ডা. এম আর খানের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের মানুষ। এর আগে রাজধানীর সেন্ট্রাল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকার মিরপুর এবং উত্তরায় আরও দুই দফা জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে সাতক্ষীরায় তার নিজগ্রামে। সেখানেই চির নিদ্রায় শায়িত করা হবে, এ গুনীজনকে।
বহু মানুষ প্রাণ ফিরিয়ে পেয়েছে তার হাতে তবে তাকে ফেরানোর কেউ নেই— কারও সাধ্যও নেই। চিকিৎসা সেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী ডা. এম আর খানের শেষ বিদায় ভক্ত শুভাকাঙ্খীদের চোখের জলে, ফুলেল শ্রদ্ধায়।
অধ্যাপক এম আর খান ছিলেন এ দেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে শিক্ষকদের শিক্ষক। দীর্ঘ কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠা করেছেন চিকিৎসাসহ জাতীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা ও সংগঠন। এ দেশে শিশু চিকিৎসারও পথিকৃত তিনি। তাই তার প্রতি শ্রদ্ধায় মাথানবত দেশের আপামর জনসাধারণ।
চিকিৎসায় অসামান্য অবদানের জন্য, একুশে পদক,স্বাধীনতা পুরষ্কার সহ দেশ বিদেশের নানা সম্মান ও পুরষ্কারে ভুষিত হয়েছেন এম আর খান। তিনি এ দেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রকে করেছেন গৌরবান্বিত।
এম আর খান ছিলেন চিকিৎসক, শিক্ষক- ৮৮ বছর বয়সেও শিশু ছিলেন এ শিশু চিকিৎসক। চিকিৎসা ক্ষেত্রে তার আদর্শ তাই সবার জন্যই অনুকরনীয়।
এর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং তার প্রতিষ্ঠিত সেন্ট্রাল হাসপাতালে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার সকাল ১০টায় তার নিজ গ্রাম সাতক্ষীরার রসুলপুরে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে জাতীর এ গর্বিত সন্তানকে।