কৃষি উৎপাদনের ৬১ শতাংশই নারীর অবদান— তবে ভূমিতে তাদের অধিকার মাত্র ২৩ শতাংশ।
রোববার সকালে রাজধানীতে গ্রামীণ নারীর জমি-জলা-খাদ্যের অধিকার ও কৃষি ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
সেমিনারে বৈষম্যমূলক ধর্মভিত্তিক উত্তরাধীকার আইনকেই এর জন্য দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এর পাশাপাশি দেশে প্রায় ৩৩ শতাংশ নারী অপুষ্টিতে ভুগছেন বলেও সেমিনারে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের -ঢাবির সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।
ঘর-গৃহস্থালীর কাজ সঙ্গে চাষবাস এভাবেই বিরামহীন চলে গ্রামীণ নারীদের জীবন-সংসার।
পরিসংখ্যান জানিয়েছে, দেশের প্রায় ৭ কোটি নারীর প্রায় ৪৬ শতাংশ নিয়োজিত কৃষিতে। আর কৃষিতে তাদের অবদান মোট উৎপাদনের ৬১ শতাংশ। অথচ ভূমির প্রায় ৭৮ শতাংশেরই মালিকানা পুরুষের হাতে।
অধিকার কর্মীদের দাবি নারীর প্রতি এ বৈষম্যের জন্য দায়ী পিতৃতান্ত্রিকতা এবং ধর্মভিত্তিক উত্তরাধিকার আইন।
সেমিনারের তথ্য মতে, খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রেও নারীরা ব্যাপক বৈষম্যের শিকার হন।
যে কারণে দেশে ৩ ভাগের এক ভাগ নারীই ভুগছেন অপুষ্টিতে। তাই দেশে নারীর যথাযথ ক্ষমতায়নে খাদ্য ও ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারকে পরামর্শ অধিকার কর্মীদের।
পাহাড়ি এবং সমতলসহ দেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীরা সামাজিক রীতিনীতির কারণে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার হন বলেও সেমিনারে জানানো হয়।