ঢাকার চারপাশের নদীগুলো দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা ১৩টি স্থাপনা সরকার শিগগিরই উচ্ছেদ করবে বলে জানিয়েছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়
নদীর অনেক অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হলেও পর্যায়ক্রমে তা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।
রোববার সচিবালয়ে টাস্কফোর্সের সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
উচ্ছেদ অভিযানে প্রভাবশালী কেউ বাধা দিলেও ওইসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধর্মীয় উপাসনালয়সহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে রাজধানীর চারপাশে অবস্থিত বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদীর তীরে। এরমধ্যে ত্রিশটিরও বেশী ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। অতীতে তালিকা করে স্থানীয় প্রভাবশালীদের অবৈধভাবে গড়ে তোলা বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করা হলেও আবারো স্থাপনা উঠেছে নদীর তীরে।
রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত করতে রোববার সচিবালয়ে টাস্কফোর্সের সভায় এসব অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী।
এ সময় খুব শিগগিরই নদীর তীরের এসব অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযানের ঘোষণাও দেন তিনি।
অবৈধ স্থাপনার মালিক যত প্রভাবশালী হোক না কেনো উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবেই বলে জানান মন্ত্রী।
নদীগুলোর সীমানা পিলার নিয়ে আপত্তি নিরোসনে আগামী সাত দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসকদের কাছে নকশা পাঠানো হবে উল্লেখ করে, জরিপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নদীর পাশের জমির মালিকদের সব ধরণের স্থাপনা নির্মাণ থেকে বিরত থাকতে বলেছে নৌ মন্ত্রণালয়।