আগামী পনেরো দিনের মধ্যেই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি।
সফররত মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী রিচার্ড রায়ত আনাক জায়েম এমন আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
বুধবার সকালে নিজ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, বনায়ন, উৎপাদন এবং নির্মাণখাতে কর্মী নেবে মালয়েশিয়া।
জি টু জি প্লাস বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ঘটা করে চুক্তি স্বাক্ষর করে দুদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি আর মালয়েশিয়ার পক্ষে মানবসম্পদ মন্ত্রী রিচার্ড রায়ত উভয় দেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির বারো ঘণ্টা না যেতেই কর্মী না নেয়ার কথা জানিয়ে মালয়েশিয়া সরকার ঘোষণা দিলে ওই প্রক্রিয়া ঝুলে যায়।
প্রায় সাত মাস পর গত সেপ্টেম্বরে ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নির্মাণ, উৎপাদন এবং বনায়ন খাতে কর্মী নিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে মালয়েশিয়া। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা সফরে এসে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী রিচার্ড রায়ত আবারো আশ্বাস দিয়েছেন কর্মী নিয়োগের। রাজধানীর একটি হোটেলে দুদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বৈঠক করে এ আশ্বাস দেন।
এ প্রসঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে—দেশটিতে চাহিদাপত্র পাঠালে আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই ব্যাপক সংখ্যক কর্মী পাঠানো শুরু করা যাবে।
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সঙ্গে বেসরকারি জনশক্তি রপ্তানি এজেন্সিগুলোকে সম্পৃক্ত করতে এরই মধ্যে ৭৪৫টি এজেন্সির তালিকা পাঠিয়েছে সরকার। এসব এজেন্সিকে ৩৫ থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে কর্মী পাঠানোর দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
মালয়েশিয়া সরকার তার সিদ্ধান্তে ঠিক থাকলে কর্মী পাঠাতে আর কোনো বাধা থাকবে না বলে জানান তিনি।