টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে প্রয়োজনের অর্ধেক তথ্যও দিতে পারছে না— বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। যাতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে দারিদ্র্য বিমোচনসহ এসডিজি অর্জনের কৌশলপত্র তৈরির কাজ।
বুধবার সকালে রাজধানীতে এসজিডি অর্জনে তথ্য প্রাপ্তি নিয়ে আয়োজিত এক পলিসি সংলাপে এসব মন্তব্য করেন বিশ্লেষকরা।
তবে চাহিদা অনুযায়ী ১০০ ভাগ তথ্য সরবরাহের সক্ষমতা বিবিএসের আছে বলেই দাবি পরিকল্পনামন্ত্রীর। আর ২০৩০ সালের মধ্যেই সফলভাবে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবে বাংলাদেশ বলেও আশাবাদ তার।
‘নো ওয়ান লিভ বাহাইন্ড’ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অন্যতম লক্ষ্য এটি। তবে এ ‘নো ওয়ান’ যে কারা এবং কি তাদের সমস্যা তা নিয়ে নেই পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত। সমস্যার তথ্য যেহেতু পাওয়া যাচ্ছে না, তাই তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না সমাধানের পথ।
জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজিতে ১৭টি অভীষ্ট, ১৬৯টি লক্ষ্য এবং ২৩০টি সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে ইউনাইটেড নেশনস পপুলেশন ফান্ড-ইউএনএফপিএ বলছে, ২৩০টির মধ্যে বিবিএস মাত্র ৬৩টি সূচকে সরাসরি তথ্য দিতে পারে।
আর তথ্যের কিছুটা পরিবর্তন করে ৬৭টি সূচকে ব্যবহার করা যায়।
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলমের দাবি অনুসারে এসডিজিতে যেসব সুচক নির্ধারণ করা হয়েছে, তা অস্পষ্ট এবং জটিল। আর বাংলাদেশের জন্য সব সুচকও প্রাসঙ্গিক নয়।
তবে বিবিএস ঠিকভাবেই কাজ করছে বলে দাবি পরিকল্পনা মন্ত্রীর। এ তথ্য উপাত্তের ওপর ভর করেই বাংলাদেশ অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বিবিএসের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর জন্য, ৪৪ টি ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে, আরও অন্তত ৮০টি সূচকের তথ্য দিতে পারবে বিবিএস।