গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতালদের হত্যা ও উচ্ছেদ ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকবৃন্দ। এছাড়াও চিনিকল সংলগ্ন বাগদা ফার্ম এলাকায় সাঁওতালদের জমি ছিলো না বলে দেয়া সরকারি বক্তব্যেরও সমালোচনা করা হয়।
সচেতন নাগরিকবৃন্দ ব্যানারে নাগরিক প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে শনিবার সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত সরেজমিন প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং।
চিনিকল সংলগ্ন বাগদা ফার্মের জমি সাঁওতালদের নয় বলে সরকারের প্রতিনিধিদের দাবির সমালোচনাও করে অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত বলেন, আদিবাসীর ওপর এ ধরনের ঘটনা যখনই ঘটে সরকার চোখ বন্ধ করে থাকে। আদিবাসীরা সৎ— এ জন্যই তিরের ডগায় বিশেষ কিছু ব্যবহার করেনি। ব্যবহার করলে যারা তিরবিদ্ধ হয়েছেন সবাই মারা যেতো। অথচ পুলিশ নির্বিচারে গুলি করে তিনজনকে হত্যা করেছ। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ মারা গেছে কি-না? তা জানা যায়নি।
সাঁওতাল পল্লীতে হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও উচ্ছেদের ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক উল্লেখ করে লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, সরকার হতদরিদ্র সাঁওতালদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর মতো বলপ্রয়োগ করে যাচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা কেন ঘটল?—সেটার তদন্ত চাই।
কৃষি জমিতে অর্থনৈতিক জোন না করার আহ্বান জানিয়ে বাগদা ফার্ম এলাকায় সাঁওতালদের নিজ বসতভিটায় পুর্নবাসনের পাশাপাশি যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানানো হয় আয়োজিত সম্মেলনে।