জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় নিজস্ব তহবিল বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে সরকারকে আরও উদ্যোগী হওয়ারও সুপারিশও করা হয়।
সম্প্রতি মরক্কোর মারাকেশে অনুষ্ঠিত ২২তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি নিয়ে বুধবার নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির কর্মকর্তারা এসব কথা বলেন।
সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে শিল্পোন্নত দেশগুলোর ২০২০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি জোড়ালো হয়েছে। একইসঙ্গে পরিবেশগত শুদ্ধাচার, স্বচ্ছতা এবং প্রদত্ত তহবিলসহ যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।
এদিকে, বৈশ্বিকভাবে সবচেয়ে বেশি গ্রীনহাউজ গ্যাস নিঃসরণকারী যুক্তরাষ্ট্রসহ শতাধিক দেশ প্যারিস চুক্তি অনুমোদন করলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ায়— তা বাস্তবায়নে সংশয় প্রকাশ করেছে টিআইবি।
তবে দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে জোড়ালো ঘোষণা এবারের সম্মেলনে দেখা যায়নি বলেও টিআইবি'র পর্যবেক্ষণ।
তাই শিল্পন্নোত দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে সরকারকে আরও দেনদরবারের পাশাপাশি নিজস্ব তহবিল বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে টিআইবি।
একইসঙ্গে জলবায়ু পরির্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর পূর্নবাসন ও এ সংক্রান্ত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিতের দাবি তাদের।
এ সময় সংস্থাটির মূল্যায়নে এবারের সম্মেলনের অন্যতম অগ্রগতি ও ২১তম সম্মেলন অর্থাৎ প্যারিস চুক্তির রূপরেখা প্রণয়নের কাজ শুরু হওয়া।