তিস্তার পানি বণ্ঠন নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর পিছিয়ে দিয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জানুয়ারির সফরেও তিস্তাসহ বর্তমান আলোচ্যসূচি নিয়েই আলোচনা হবে বলে তাদের ধারণা।
আর তা হয়ে থাকলে, প্রধানমন্ত্রী ঠিক কাজটিই করেছেন বলে মনে করেন তারা। তবে এ ব্যাপারে কারো কারো ভিন্নমতও আছে।
আগামী জানুয়ারিতে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই ১৮ ডিসেম্বরের সফর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।
প্রধানমন্ত্রীর ১৮ ডিসেম্বরের ভারত সফর পিছিয়ে দেয়ার ঘটনায় বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে তার বিশ্লেষণ চলছে বাংলাদেশ-ভারতে। ভারতের কিছু গণমাধ্যম একে দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছে।
তারা বলেছে, তিস্তা নিয়ে কেন্দ্র এবং রাজ্যের রাজনৈতিক টানাপড়েনের শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক। সফর পিছিয়ে দেওয়ার পেছনে তিস্তা ইস্যুটিকেই সামনে নিয়ে এসেছে তারা।
দেশের অনেক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকের মতামতও একরই। তারা মনে করছেন, তিস্তা জট না খুললে, এ সফরটি হতো প্রধানমন্ত্রীর জন্য রাজনৈতিকভাবে বিব্রতকর।
অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, আগামী জানুয়ারীতে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সে অনুষ্ঠানেই তিস্তাসহ সব আলোচ্যসুচি নিয়ে আলোচনা করবেন।
তবে ভারতের গণমাধ্যম এটিকে তিস্তা চুক্তির বিষয়ে ভারতের উপর বাংলাদেশের চাপ হিসেবে দেখছে।