অভিবাসীদের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। একইসঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে তাদেরকে প্রতিষ্ঠিত করারও তাগিদ তাদের।
শনিবার ঢাকায় শুরু হওয়া বিশ্ব অভিবাসন সম্মেলনে এ কথা বলেন তারা।
এমন একটা সময় অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে বিশ্বজন সম্মেলনে বসেছে, যখন মিয়ানমারের লাখো অভিবাসী সাগরে ভাসছে।
অভিবাসী মানুষের পাশে দাঁড়াতে, তাদের কথা বলতে ২০০৭ সালে বেলজিয়ামে প্রথম সম্মেলনের মধ্য দিয়ে এর যাত্রা শুরু করে গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন ডেভেলপমেন্ট-জিএফএমডি।
বাংলাদেশ আয়োজিত মূল সম্মেলনের আগে জিএফএমডির সুশীল সমাজ নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় করেন। অভিবাসন ও উন্নয়নের অর্থনীতি, সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং সুশাসন এ বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে গত ৮ ও ৯ ডিসেম্বর দুদিনব্যাপী আলোচনার সুপারিশ তুলে ধরা হয় সরকারি পর্যায়ের এ সম্মেলনে।
বক্তারা বলেন, অভিবাসন কোনও দেশের ব্যক্তিগত সমস্যা নয়— এটা এখন অনেক জটিল, মানবিক এবং বৈশ্বিক বিষয়। এ সমস্যা সমাধানে সকলকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ঐক্যমত হতে হবে। আশা করছি এই সম্মেলন থেকে এমন কিছু সফলতা আসবে।
প্যানেল আলোচনার সুপারিশগুলো পরবর্তীতে জিএফএমডি পর্যালোচনা করবে।
২০১৫ সালে অষ্টম সম্মেলনের মধ্য দিয়ে তুরস্ক বাংলাদেশের কাছে চেয়ারম্যানের পদ হস্তান্তর করে— আগামী ১২ ডিসেম্বর নবম সম্মেলন শেষ করে বাংলাদেশ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব তুলে দেবে জার্মানির কাছে।