অভিবাসীদের সুরক্ষায় আইনি কাঠামো তৈরিতে ঐক্যমতের মধ্য দিয়ে শেষ হল ৩ দিনের বিশ্ব অভিবাসন সম্মেলন।
সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের শেষ দিনে মরক্কো ও জার্মানির হাতে চেয়ারম্যান পদ তুলে দেয় বাংলাদেশ।
সম্মেলনের বিস্তারিত তুলে ধরে সংবাদ ব্রিফিং এ পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, দারিদ্র বিমোচনের মত এবার অভিবাসন সমস্যা সমাধানেও বাংলাদেশের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব প্রমাণিত হয়েছে এ সম্মেলনে।
গেল বছর গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট- জিএফএমপি'র অষ্টম আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে তুরস্ক চেয়ারম্যানের পদ তুলে দিয়েছিল বাংলাদেশের হাতে আর সে হিসেবে এবার নবম সম্মেলনের আয়োজন করল বাংলাদেশ।
বিশ্বের প্রায় ১৩০টি দেশের সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজের ১ হাজার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের আলোচনায় উঠে আসে অভিবাসীদের অধিকার ও সুরক্ষার কথা।
সকলেই একমত হয়েছেন অভিবাসী মানুষের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিকভাবে একটি আইনি কাঠামো তৈরির।
তিন দিনের ভিন্ন ভিন্ন সেশনে আলোচনায় অভিবাসন ও উন্নয়নে অর্থনীতি, সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং সুশাসনের বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়।
এছাড়াও আলোচনা হয় কীভাবে অভিবাসন ব্যয় কমানো যায়, অভিবাসন কমানো যায়, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে।
৩ দিনের আলোচনা শেষে সম্মেলনের বিস্তারিত তুলে ধরেন পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক বলেন, এরমধ্য দিয়ে দারিদ্র বিমোচন, জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব বিশ্বব্যাপী যেভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেভাবেই অভিবাসন বিষয়েও বাংলাদেশ তার নেতৃত্বের প্রমান দিয়েছে এ সম্মেলনে।
নিয়ম অনুযায়ী সম্মেলনের সমাপনী সেশনে মরক্কো ও জার্মানির কাছে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব তুলে দেয় বাংলাদেশ।