মহান বিজয় দিবস উদযাপনে নানা প্রস্তুতি নিয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক-সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠন। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরসহ বিভিন্ন সংগঠন নিয়েছে দিনব্যাপী কর্মসূচি।
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখার প্রয়াসেই এসব আয়োজন বলে জানান আয়োজকরা।
মহান বিজয় দিবস উদযাপনে রাজধানীতে পুরো ডিসেম্বর জুড়েই পালিত হচ্ছে নানা কর্মসূচি। বিজয়ের দিনটি উদযাপনে প্রতি বছরের মতো এবারও বর্নিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো।
প্রতি বছরের মতো এবারও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ১৬ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বের করবে বিজয় শোভাযাত্রা। বিকলে স্বাধীন বাংলাবেতার কেন্দ্রের শিল্পীরা পরিবেশন করবেন মুক্তিযুদ্ধের গান, থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ। রাজধানীর ৯টি স্থানে অস্থায়ী বিজয় মঞ্চেও থাকছে সাংস্কৃতিক জোটের অনুষ্ঠান জানান গোলাম কুদ্দুস।
বৈচিত্র্যময় আয়োজনে বিকেল ৪টা ৩১মিনিটে, ৪৪ বছর আগের বিজয়ের সেই মহালগ্নটি স্মরণে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রতীকী আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান করবে সেক্টরস কমান্ডারস ফোরাম বলে জানান মহাসচিব হারুন হাবিব।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তারুণ্যের ভাবনা কি, এ নিয়ে সপ্তাহব্যাপী আলোচনা অনুষ্ঠান করছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এবারের বিজয় দিবসের আয়োজনে লোকসংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর জানান ট্রাস্টি জিয়াউদ্দীন তারিক আলী।
রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগ আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ তিন দিনের কর্মসূচি পালন করবে। আলোচনা সভা করবে বিএনপিও। বিজয় দিবসের সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।