প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি গাফিলতির কারণে হয়েছে— নাশকতার উদ্দ্যেশে কি-না?— তা জানতে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের করা তদন্ত কমিটির রিপোর্ট নিয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মেনন বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তদন্তে আরো নাম আসতে পারে বলেও মন্ত্রী আভাস দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানটির যান্ত্রিক ত্রুটি মানুষ্য সৃষ্টি ছিলো— এ ঘটনায় করা তদন্ত কমিটিগুলোর প্রতিবেদনে এমনটা চিহ্নিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
এ ঘটনার বিমানটির পরিচালনায় থাকা ব্যক্তিদের গাফিলতি ছিলো তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এই ঘটনা নাশকতার উদ্দ্যেশে করা হয়েছিলো কীনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
এ দুর্ঘটনায় মন্ত্রীর নিজের নৈতিক দায়কেও স্বীকার করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, তিনটি তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য সমন্বয় করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে খুব শিগগিরই একটি প্রতিবেদন দেয়া হবে।
গত ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে জরুরী ভিত্তিতে তুর্কমেনিস্তানে অবতরণ করে।
এ ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে বিমানটির ৫ প্রকৌশলীসহ ৯ জনকে এ পর্যন্ত সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।