রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়, কাগজে-কলমে থাকলেও অভাব রয়েছে বাস্তবায়নে।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ব্রাক সেন্টারে বাংলাদেশের শাসন পরিস্থিতি-২০১৬ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। আর দক্ষ মানবসম্পদের অভাব ও এর ব্যবহারের ঘাটতি সুশাসনের অন্তরায়।
এজন্য আইনিও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সংস্কার দরকার— প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,গত কয়েক বছরে দেশের রিজার্ভ বাড়লেও সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অবস্থা ভাল না।
সম্প্রতি নির্বাচনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কমেছে বেড়েছে সহিংসতা। আর স্থানীয় সরকার ও জাতীয় নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণ কম থাকার চিত্রও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
গত ২০১৪-২০১৫ সালের বাংলাদেশের শাসন পরিস্থিতি নিয়ে রাজধানীর ব্রাক সেন্টারে গবেষণা প্রতিবদেন উপস্থাপন করে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়। এতে গত দুইবছরে দেশের অর্থনৈতিক-সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনের বিভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। বাংলাদেশ গত দুই বছরে বেশ কিছু খাতে ভাল করলেও সুশাসনেরও অভাব লক্ষণীয়। দেশের সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোর চিত্র তুলে ধরে এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা কমেছে, বেড়েছে সহিংসতা। গত জাতীয় নির্বাচন ও সাম্প্রতিক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণ কম ছিল।
গত তিনটি নির্বাচনের চিত্র তুলে ধরে গবেষণায় বলা হয়েছে গণতন্ত্রের পথে বাধা হচ্ছে নির্বাচন বর্জন ও সহিংসতা। নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করার পাশাপাশি প্রশাসনকেও শক্তিশালী করার কথা বলা হয়েছে এ প্রতিবেদনে।
এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা টার্গেটের চেয়ে বেশি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে যা সুশাসনের অন্তরায়। আর সরকারি খাতে দুর্নীতির চিত্রে দেখানো হয়েছে অর্ধেকের ও বেশি অভিযোগ রেকর্ড করা হলেও সমাধান না করে তা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
রিপোর্ট বিশ্লেষণে গবেষকরা বলেন, গত দুই বছরে দেশের রিজার্ভ বাড়লেও সরকারি আর্থিক প্রাতিষ্ঠানের অবস্থা ভালো না।