ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে দেশে এ ধরণের ঘটনা আরো বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক।
সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতনের শিকার জয়পুরহাটের নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে দেখতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে এজন্য মানবাধিকার কমিশনের দায়িত্বও রয়েছে।
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার বানদীঘি গ্রামে শুক্রবার রাতে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে নির্যাতন ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পরিবারের। আহত ছাত্রী এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
দুপুরে তার মাথায় অস্ত্রোপচার হয়। তাকে দেখতে গিয়ে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে দেশে এ ধরণের ঘটনা আরো বাড়বে।
দুর্বত্তদের চেহারা চিনে ফেলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে তারা। মেয়েটির চিৎকারে পরিবারের সদস্যরা ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে ঘরের মেঝেতে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে প্রথমে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সে এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তিন দিনেও তার জ্ঞান ফেরেনি।
সোমবার দুপুরে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক মেয়েটির চিকিৎসার খোঁজ খবর নিতে ঢাকা মেডিকেলে যান। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে দেশে এ ধরণের ঘটনা আরো বাড়বে।
এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর চাচা বারেক হোসেন বাদী হয়ে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে কালাই থানায় একটি মামলা করেছেন। শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির নিশ্চয়তা দিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী। দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তাদের।