রাজধানীর গুলশান ১-এ ঢাকা উত্তর সিটি করপোনরেশনের-ডি্নসিসি মার্কেটে রাতে লাগা আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিসের ২২টি ইউনিট। এদিকে, মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে
তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া পুলিশের মহাপরিদর্শক আইজিপিএ কে এম শহীদুল হক বলেন, আগুন লাগার বিষয়টি নাশকতা ছিল কিনা তদন্ত করে দেখা হবে।
আগুনের কারণে মার্কেটের দ্বিতল ও চার তলা ভবনের বেশিরভাগ অংশ ধসে পড়েছে, পুড়ে গেছে কয়েকশো দোকানপাট।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, ষড়যন্ত্র এটি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে—তাদের এ অভিযোগ অস্বীকার করে উত্তরের সিটি মেয়র আনিসুল হক বলেন, এটি নাশকতা নয় দুর্ঘটনা।
তিনি আরো বলেন, নাশকতা নয়, বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকেই আগুন লেগেছে ধারনা করা হচ্ছে।
দুপুরে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান রিয়াজুল হক ঘটনাস্থলে যান।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগে, কখনো বস্তিতে, কখনো দোকানপাট পুড়ে যায়। সেখানে যারা বসবাস করত তারা চলে গিয়ে আরো কিছু নতুন লোকজন সেখানে বসবাস করা শুরু করে—এভাবে চলতে পারে না।
এ মার্কেটে কীভাবে আগুন লেগেছে- তা নিছক দুর্ঘটনা না পরিকল্পিতভাবে কেউ আগুন লাগিয়েছে তা তদন্ত করে খুঁজে বের করতে হবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, এ তদন্তের দায়িত্ব কেবল ফায়ার সার্ভিসের ওপর নয়, এখানে পুলিশ, দোকান মালিক ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের নিয়ে আলাদা একটি তদন্ত কমিটি করে আগুনের কারণ খুঁজে বের করতে হবে।
সোমববার মধ্যরাতে হঠাৎ করেই আগুন লাগে রাজধানীর গুলশান ১ নম্বরে অবস্থিত ডিএনসিসি মার্কেটে। খবর পেয়ে আগুন নেভাতে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। সারারাত চেষ্টার পর সকালেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন।
আকস্মিক আগুনের খবর পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন ব্যবসায়ীরা। মার্কেট চত্বরে ভিড় জমাতে থাকেন দোকান মালিক ও কর্মচারীরা। আগুন লাগার ঘটনাকে ইচ্ছাকৃত বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীরা।
মার্কেটের আগুন লাগার কারণের বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা।
তবে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন্স অ্যা ন্ড মেইনটেন্যান্স) মেজর শাকিল নেওয়াজ বলেন, একটা বিল্ডিং কলাপস করেছে, কোনো ক্যা জুয়ালটি হয়নি—এখানে কমবাস্টেবল ও ফ্লেইম্লে লিকুইড ছড়িয়ে আছে। ডেঞ্জারাস জিনিসপত্র আছে।